বিজ্ঞাপন
আজ বৃহস্পতিবার ও আগামীকাল শুক্রবার—এই দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সকাল থেকেই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা স্কুল প্রাঙ্গণে সমবেত হতে থাকেন। দীর্ঘ সময় পর সহপাঠী ও প্রিয় প্রাঙ্গণকে ফিরে পেয়ে অনেকেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে মেতে ওঠেন পুরনো দিনের স্মৃতিচারণে। ১৯৬২ সালের এক জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জানান, "আমার সমবয়সী অনেক বন্ধু আজ বেঁচে নেই, কিন্তু স্কুলের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার টানে এই বয়সেও এখানে ছুটে এসেছি।"
সকালে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ, অ্যাসেম্বলি এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান শামীম-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক জনাব কামরুল হাসান মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার জনাব নজরুল ইসলাম (পিপিএম), বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা প্রীতিলতা সরকার ও আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ওয়াহিদ মিয়া কুটি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, "১৮৫ বছরের এই সুদীর্ঘ পথচলায় ফরিদপুর জেলা স্কুল অগণিত কৃতি সন্তান উপহার দিয়েছে যারা দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত।"
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়, যা ফরিদপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলের পর্বে রয়েছে স্মৃতিচারণ ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান। সন্ধ্যায় স্কুলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা সভা, আতশবাজি এবং রাতে জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনের কর্মসূচি সমাপ্ত হবে। আগামীকালও দিনভর নানা বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...