বিজ্ঞাপন
রবিবার সকাল থেকেই পাথরঘাটার আকাশ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। বিকেল গড়িয়ে গেলেও কুয়াশা কাটেনি, বরং সময়ের সাথে তা আরও ঘনীভূত হয়েছে। দিনভর সূর্যের আলো না থাকায় চারপাশ ছিল অস্বাভাবিক আলোহীন, যা সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুর গড়ালেও মনে হচ্ছিল যেন সন্ধ্যা নেমে এসেছে।
ঘন কুয়াশার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা। পাথরঘাটা নদীবন্দরসহ আশপাশের নদীপথে নৌযান চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় লঞ্চ, ট্রলার ও মাছ ধরার নৌকাগুলো অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করছে। সড়কপথেও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
তীব্র শীতের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন দিনমজুর, জেলে এবং অটো ও ভ্যানচালকরা। কনকনে ঠান্ডার কারণে অনেকেই কাজে বের হতে পারেননি। বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল নগণ্য। কুয়াশা ও শীতের কারণে নিম্ন আয়ের এই মানুষগুলোর দৈনন্দিন উপার্জন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
প্রচণ্ড শীতে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের মধ্যে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শীতকালীন মৌসুমি প্রভাবে উপকূলীয় এই এলাকায় আরও কয়েকদিন এমন ঘন কুয়াশা ও শীত অব্যাহত থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাথরঘাটা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীপথে চলাচলের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং দুঃস্থদের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানানো হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...