বিজ্ঞাপন
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিনা খন্দকার আন্না তাকে এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২১ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের পরিদর্শক মোহাম্মদ টিপু সুলতান সাহাবুদ্দিন আজমকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করেছিলেন। এদিন সকালে তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে আসামিপক্ষের আইনজীবী এস.এম. শরীফুল জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট সকালে আদাবরের রিংরোড এলাকায় ছাত্র-জনতার প্রতিবাদী মিছিলে অংশ নেন পোশাক শ্রমিক রুবেল। ওই মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এই ঘটনায় নিহতের বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাহাবুদ্দিন আজম আওয়ামী লীগের একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে ঘটনার দিন সরাসরি আন্দোলন দমনের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
এর আগে, গত ১২ জুন গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর ওপর হামলা ও গাড়ি পোড়ানোর মামলায় সাহাবুদ্দিন আজমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, চিকিৎসা ভিসায় ভারতে যাওয়ার চেষ্টাকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে তাকে আটক করা হয়েছিল। তখন থেকেই তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...