বিজ্ঞাপন
অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুইয়া বলেন, জীবনের শুরু থেকেই তিনি ফেনীর মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও এই কাজ অব্যাহত রাখবেন। সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেনী-২ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে জনমত গঠনের যে দায়িত্ব তার ওপর অর্পিত হয়েছিল, সেখান থেকে তিনি একটি বড় জবাবদিহিতার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যক্তি, পরিবার ও পেশাগত দায়িত্বের ঊর্ধ্বে উঠে মাঠে সক্রিয় থেকে জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তিনি। সকলের সম্মিলিত ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে ফেনী-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক সমর্থন তৈরি হয়েছে, যা সর্বশেষ জরিপেও প্রতিফলিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ফেনী-২ আসনের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুইয়া বলেন, মানুষ তাকে আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং যে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে, তা তিনি আজীবন স্মরণ রাখবেন। একই সঙ্গে তিনি মহান আল্লাহর কাছে সকলের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনা করেন।
এ আন্দোলনের পথে যেসব পুরুষ ও নারী সহযাত্রী হিসেবে পাশে ছিলেন, তাঁদের অবর্ণনীয় ত্যাগ, কষ্ট, রাত জেগে পোস্টার লাগানো এবং দীর্ঘ সময় একসঙ্গে পথ চলার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। তাঁদের উত্তম প্রতিদানের জন্য দোয়া করেন তিনি।
পোস্টে অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুইয়া আরও বলেন, অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও কষ্ট হয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। পাশাপাশি সবাই সংগঠনের সিদ্ধান্তের প্রতি পরিপূর্ণ আনুগত্য ও আস্থাশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে সবাই একযোগে কাজ করে যাবেন, ইনশাআল্লাহ।
শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে সকল প্রচেষ্টা কবুল হওয়ার এবং দ্বীনের বিজয়ের জন্য দোয়া কামনা করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...