বিজ্ঞাপন
বিশেষ করে জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি, চরগঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চড়ে পর্যটকদের বাড়তি আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। যদিও ঘন কুয়াশার কারণে প্রত্যাশিত সূর্যোদয় প্রত্যক্ষ করা সম্ভব হয়নি, তবুও শিশিরে ভেজা কুয়াশাচ্ছন্ন সৈকতের সৌন্দর্যে মুগ্ধ ও উচ্ছ্বসিত ছিলেন পর্যটকরা।
এর আগের দিন পর্যটকরা কুয়াকাটার তিন নদীর মোহনা, লেম্বুরবন ও শুটকি পল্লীতে বসে কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই বছরের শেষ সূর্যাস্ত উপভোগ করেন। মনোরম সেই দৃশ্য অনেককেই মুগ্ধ করেছে বলে জানান তারা।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত শোকের কারণে গত বছরের তুলনায় এ বছর কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা তুলনামূলক কম। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ট্যুরিস্ট পুলিশসহ প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ঢাকা থেকে আগত পর্যটক আরমান বলেন, “গতকাল আমি বছরের শেষ সূর্যাস্ত উপভোগ করেছি। আজ নতুন বছরের প্রথম সূর্য দেখার জন্য এসেছি। কুয়াশার কারণে সূর্য মামাকে স্পষ্ট দেখা না গেলেও পরিবেশটা ছিল খুবই মনোরম ও আনন্দের। আবার আসব, ইনশাআল্লাহ।”
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল মাস্টার বলেন, “প্রতিবারের মতো এ বছরও নতুন বছরে পর্যটক সমাগম হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন, আমার প্রাণের নেত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশব্যাপী শোক বিরাজ করছে। সে কারণেই পর্যটকের সংখ্যা কম।”
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক জানান, “বছরের শেষ দিন ও নতুন বছরের শুরুতে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রশাসনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা সার্বক্ষণিক তৎপর আছি।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...