বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বিশেষ ব্যক্তিবর্গ শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই ও বিভিন্ন সহায়ক শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন। বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন এবং তাদের নিয়মিত বিদ্যালয় উপস্থিত থেকে মনোযোগ দিয়ে পড়ার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নওশেদ আলী, সভাপতি, শান্তিনগর মডেল স্কুল পরিচালনা কমিটি; মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, উপজেলা বিএনপি এবং কমান্ডার সভাপতি, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল, বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখা।
অনুষ্ঠানে কমিটির সিনিয়র সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ লিটন আকন্দ, সিনিয়র সভাপতি, শান্তিনগর মডেল স্কুল পরিচালনা কমিটি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বাট্টাজোড় ইউনিয়ন পরিষদ। এছাড়াও সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মোরাদুজ্জামান মোরাদ, সহ-সভাপতি, শান্তিনগর মডেল স্কুল পরিচালনা কমিটি; বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং সদস্য, জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বকশীগঞ্জ, জামালপুর।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক, শান্তিনগর মডেল স্কুল পরিচালনা কমিটি এবং মোঃ বিল্লাল হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য, শান্তিনগর মডেল স্কুল পরিচালনা কমিটি।
অনুষ্ঠানের মূল পর্বে অতিথিবৃন্দ পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই ও সহায়ক শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলেন, পড়াশোনার খোঁজখবর নেন এবং নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে মনোযোগের সঙ্গে পড়ালেখা করার আহ্বান জানান।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু এবং জ্ঞান অর্জনের প্রধান মাধ্যম। সময়মতো বই হাতে পেলে শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বহুগুণে বৃদ্ধি পায়, যা শিক্ষা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। গ্রামীণ পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারে শান্তিনগর মডেল স্কুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নওশেদ আলী বলেন, “শান্তিনগর মডেল স্কুলকে একটি আদর্শ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও মানবিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে পরিচালনা কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও আধুনিক জ্ঞানচর্চার দিকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বিভিন্ন শিক্ষাবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনাও রয়েছে।”
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল শিক্ষাবান্ধব, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরিপূর্ণ। শেষে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং দেশের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...