বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
এই আসন থেকে মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাঁদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন এম. আনিসুল ইসলাম, আশরাফুল আলম, নাজমুল আলম ও মো. কাইয়ুম আলি খান। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত মো. সেলিমুজ্জামান মোল্লা, জাতীয় পার্টি মনোনীত সুলতান জামান খান, গণ অধিকার পরিষদ মনোনীত মো. কাবির মিয়া, ইসলাম আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো. মিজানুর রহমান, জনতার দল মনোনীত মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মোহাম্মাদ আবদুল হামিদ মোল্লা, কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত নীরদ বরন মজুমদার, এবি পার্টি মনোনীত মো. প্রিন্স আল আমিন এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত ইমরান হুসাইন আফসারি।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংসদীয় আসন-২১৫, গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী একাংশ) এর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই-বাছাই শেষে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
বাতিল হওয়া চার প্রার্থীর মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র এবং একজন গণ অধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট ভোটারের এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও নির্ধারিত স্বাক্ষরের সঠিকতা না পাওয়ায় তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তাঁরা হলেন—আশরাফুল আলম, নাজমুল আলম ও মো. কাইয়ুম আলি খান।
অপরদিকে ঋণ খেলাপির অভিযোগে গণ অধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মো. কাবির মিয়ার মনোনয়নপত্রও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান।
এদিন একই কার্যালয়ে বেলা ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ-২ এবং বেলা ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...