বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি এবং প্রার্থী ও তাদের প্রস্তাবক-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিটি মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের কঠোর বিধিমালা অনুযায়ী পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ-১, ২, ৩, ৪ ও সুনামগঞ্জ-৫—এই পাঁচটি আসনে মোট ৩৯ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে ২৬ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হলেও ১৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। মূলত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে অসংগতি, ঋণখেলাপি সংক্রান্ত জটিলতা, হলফনামায় সম্পদের তথ্যে গরমিল এবং আয়কর রিটার্ন দাখিল না করার মতো কারণে এই বাতিল আদেশ দেওয়া হয়েছে।
যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তাদের সংক্ষুব্ধ হওয়ার সুযোগ নেই; তারা আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।”
উল্লেখ্য, দেশের সীমান্তবর্তী জেলা সুনামগঞ্জের এই পাঁচটি আসন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হেভিওয়েট প্রার্থীদের পাশাপাশি প্রভাবশালী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উপস্থিতি নির্বাচনী মাঠকে বেশ প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার এই ঘোষণার পর থেকেই আসনগুলোতে নির্বাচনী উত্তাপ আরও বেড়েছে। এখন সবার নজর আগামী আপিল শুনানি ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার দিকে। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নামলে এই নির্বাচনী আমেজ আরও তুঙ্গে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...