Logo Logo

১% ভোটার স্বাক্ষরে জটিলতা: নোয়াখালীতে ১৫ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল


Splash Image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রস্তুতি তুঙ্গে। এরই ধারাবাহিকতায় দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ত্রুটি এবং বিধি মোতাবেক শর্ত পূরণ না করায় ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশই স্বতন্ত্র প্রার্থী, তবে কোনো হেভিওয়েট প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়নি।


বিজ্ঞাপন


শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অত্যন্ত সর্তকতার সঙ্গে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম প্রার্থীদের উপস্থিতিতে প্রতিটি আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তিনি জানান, জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত ৬২ জন প্রার্থী তাদের আবেদন জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৪৭টি আবেদন বৈধ এবং ১৫টি আবেদন বাতিল বলে গণ্য হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের সঠিকতা না থাকায় বেশিরভাগ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে ঋণ খেলাপির দায়ে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জেলা হিসেবে পরিচিত নোয়াখালীতে এবারের নির্বাচনেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। জেলার ৬টি আসনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি প্রভাবশালী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উপস্থিতি ভোটের মাঠকে সরগরম করে তুলেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর এখন সবার নজর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দের দিকে। প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নামলে জেলার নির্বাচনী আমেজ আরও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন সাধারণ ভোটাররা।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...