বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এই তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি জানান, নোয়াখালী-১ আসন থেকে মোট ৮ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ইফতেখার উদ্দিন বাদে বাকি ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের কারণ হিসেবে রিটার্নিং অফিসার জানান, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশ সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের তথ্য জমা দিতে হয়। তবে মুহাম্মদ ইফতেখার উদ্দিনের জমাকৃত তথ্যে ১ শতাংশ স্বাক্ষরের সঠিকতা পাওয়া যায়নি। মূলত এই ত্রুটির কারণেই নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী তার আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে।
অবশ্য প্রার্থিতা বাতিলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীর আইনি প্রতিকারের সুযোগ রয়েছে। রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, সংক্ষুব্ধ প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিল আবেদন করতে পারবেন। এদিকে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে মুহাম্মদ ইফতেখার উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী-১ আসনটি চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত। এ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের উপস্থিতিতে নির্বাচনের মাঠ বেশ সরগরম। স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফতেখার উদ্দিনের প্রার্থিতা বাতিলের পর এখন নির্বাচনী আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আপিল শুনানি শেষে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছেন স্থানীয় ভোটাররা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...