উপরে বা থেকে জুনায়েদ আল হাবিব, নেছার আহমদ, মোবারক হোসাইন, রুমিন ফারহানা এবং নিচে বা থেকে জিয়াউল হক, তৈমুর রেজা, আশরাফ উদ্দিন, তরুণ দে।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, যাচাই-বাছাইয়ে মোট ১১ জন প্রার্থী অংশ নেন এবং তাদের সকলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছে বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপি সমর্থিত জোট প্রার্থী মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মোবারক হোসাইন, বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এস.এন. তরুন দে, জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) প্রার্থী ও সাবেক সাংসদ এড. জিয়াউল হক মৃধা, খেলাফত মজলিস প্রার্থী আবুল ফাতাহ মোঃ মাসুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) প্রার্থী এড. তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী নেছার আহমদ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী মোঃ মাঈন উদ্দীন, এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন মাহদী।
দলের বৈষম্য, স্বতন্ত্র প্রার্থীর শক্তি এবং বহুপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে এই আসনে ভোটযুদ্ধ যে উত্তেজনাপূর্ণ হবে, তা ইতিমধ্যেই নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় জনসাধারণ আশা করছেন।
জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, "যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সকল প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আমরা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।"
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এই নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে নির্ধারিত তারিখে, যেখানে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচনের মূল আকর্ষণ হিসেবে দেখা যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...