বিজ্ঞাপন
রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে আসামি নোয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক আফসানা ইসলাম রুমি তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামির নাম মো. শাহাদাত হোসেন (৩৬)। তিনি নোয়াখালী সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল হক মিস্ত্রির ছেলে এবং একই ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য নুরবানু আলেয়ার সন্তান।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৬ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনারখিল গ্রামে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের গ্রাউন্ড সার্ভিস অফিসার ইসমাইল হোসেন বাবুলের বাড়িতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় একদল ডাকাত অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নেয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিমান কর্মকর্তা সুধারাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার পান সুধারাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুধন চন্দ্র দাস। তদন্তকালে তিনি ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালান। এর ধারাবাহিকতায় রুবেল (২৮), জাহাঙ্গীর আলম (৩৮), মো. হারুন (৩৫), খুরশিদ আলম (৬০) ও মো. মোশারফ হোসেন (৪৫) কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক তথ্যের ভিত্তিতে মো. শাহাদাত হোসেনকে ওই ডাকাতি মামলায় চার্জশিটভুক্ত ২ নম্বর আসামি করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, শাহাদাতের বাড়িতে পরিকল্পনামূলক বৈঠকের মাধ্যমে বিমান কর্মকর্তা বাবুলের বাড়িতে ডাকাতির ছক করা হয়। এ মামলায় মোট ১৪ জনকে চার্জশিটভুক্ত করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহাদাত হোসেন চৌধুরী জানান, শুনানি শেষে আদালত আসামিকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। তিনি আরও বলেন, শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে এর আগেও চুরি, ডাকাতি, মাদক ও নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...