বিজ্ঞাপন
আয়োজক সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০টি পিক-আপ সহযোগে শুরু হওয়া এই পথযাত্রাটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করবে। শাহবাগ থেকে শুরু হওয়া এই পদযাত্রা সায়েন্সল্যাব, সিটি কলেজ, মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড় এবং রায়েরবাজার বধ্যভূমি হয়ে মিরপুর-১০ অভিমুখে যাবে। এরপর উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকা প্রদক্ষিণ করে সন্ধ্যায় পুনরায় শাহবাগ হাদি চত্বরে এসে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচিটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ইনকিলাব মঞ্চের কর্মী শরিফুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা শহীদ হাদির ন্যায়বিচারের দাবিতে আজ রাস্তায় নেমেছি। এতদিন পেরিয়ে গেলেও কেন হাদি হত্যার বিচার হবে না, তা আমাদের প্রশ্ন। এই সরকারের কাছে আমরা বিচার চাই।"
পথযাত্রা চলাকালীন নেতাকর্মীদের কণ্ঠে ছিল বিচারের দাবিতে উত্তাল সব স্লোগান। ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না’, ‘রক্ত বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’—এমন সব স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজপথ। এছাড়াও ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ এবং ‘লাল সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকা’ স্লোগান দিতে দেখা যায় অংশগ্রহণকারীদের।
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওসমান হাদি হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ছাড়াও তাদের ঘোষিত ৪ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। মূলত বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতেই এই ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ বা ‘ন্যায়বিচারের জন্য যাত্রা’র আয়োজন করা হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের চার দফা দাবি হলো-
১. খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনিচক্রের আগামী ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
২. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।
৩. ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
৪. সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...