বিজ্ঞাপন
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত এই অধ্যক্ষ মাওলানা জাকির হোসেন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর প্রচারিত হওয়ার পর মাদ্রাসার একটি অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে চরম অসৌজন্যমূলক মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি লেখেন— “বাংলাদেশের আরেক নাটকীয়তার অবসান ঘটলো। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।” জাতীয় পর্যায়ের একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতার মৃত্যু নিয়ে একজন শিক্ষকের এমন মন্তব্যকে ‘চরম ধৃষ্টতা’ ও ‘নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেন মানববন্ধনে বক্তব্য রাখা পনির মৃধা, মাসুম, রবিউল ও সায়েম আকনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, এই ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানালে অধ্যক্ষ নমনীয় হওয়ার পরিবর্তে উল্টো মারমুখী অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি মাদ্রাসার প্যাডে লিখিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিবাদী স্থানীয় বাসিন্দা এবং এমনকি সংবাদকর্মীদের বিরুদ্ধেও মামলা করার হুমকি দেন। এই ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এছাড়াও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের বলে মানববন্ধনে দাবি করা হয়।
মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা মিছিল সহকারে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে এবং অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। আন্দোলনকারীরা জানান, মাওলানা জাকির হোসেনের মতো সংকীর্ণ মানসিকতার ব্যক্তির হাতে একটি প্রাচীন দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিরাপদ নয়। তারা অবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষে তাকে পদ থেকে অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...