বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে মুকসুদপুর সরকারি টিএন্ডটি অফিসের সামনে অবস্থিত সুনিল সাহার পাটের গুদামে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাশের নির্মল সাহা ও ইকরাম মিয়ার পাটের দোকানেও আঘাত হানে।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় পরে কাশিয়ানি ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটও অভিযানে যোগ দেয়। মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মাস্টার মেহেদি হাসানের নেতৃত্বে মোট ৪টি ইউনিটের নিরলস প্রচেষ্টায় সকাল ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সুনিল সাহা জানান, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে রাত ৮টার দিকে তিনি দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরেছিলেন। গভীর রাতে আগুনের খবর পেয়ে এসে দেখেন সব শেষ হয়ে গেছে।
তিনি আরো জানান, তার গুদামে নিজস্ব ১ হাজার ৮০০ মণ, নির্মল বিশ্বাসের ৩০০ মণ এবং একরাম মিয়ার ৫০০ মণ পাট মজুদ ছিল। আগুনে এই বিপুল পরিমাণ পাট পুড়ে যাওয়ায় তিনি এখন নিঃস্ব। ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, বর্তমানে বাজারদর অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
আগুনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে অগ্নিকাণ্ডের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ বিস্তারিত জানানো হবে।
বর্তমানে নিঃস্ব হয়ে পড়া ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা পুনরায় শুরু করার জন্য সরকারের কাছে দ্রুত আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...