Logo Logo

পর্যটকে মুখরিত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত


Splash Image

সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে সাগরকন্যা কুয়াকাটা এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত। সমুদ্র সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে ঝাউবাগান, গঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চর—সবখানেই এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। প্রায় ৩০ কিলোমিটার বিস্তৃত দীর্ঘ এই সৈকতে দিনভর পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।


বিজ্ঞাপন


পর্যটকদের এই বিপুল আগমনে কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও স্থানীয় মার্কেটগুলোতে কেনাবেচার ধুম পড়েছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাপ এতটাই বেশি যে, অনেক হোটেল-মোটেলে কক্ষ সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সৈকতে আগত পর্যটকদের একটি বড় অংশ এসেছেন পরিবার ও পিকনিক পার্টি নিয়ে। কাউকে দেখা গেছে সমুদ্রের লোনা পানিতে পা ভিজিয়ে আনন্দ করতে, আবার কেউ ঘোড়া বা ওয়াটার বাইকে চড়ে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অনেকেই আবার সৈকতের ছাতার নিচে (বেঞ্চি) বসে সমুদ্রের বিশাল ঢেউয়ের গর্জন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মগ্ন রয়েছেন।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক রবিন বলেন, "বছরে অন্তত দুবার ভ্রমণে বের হই, আর কুয়াকাটা আমাদের পরিবারের সবচেয়ে পছন্দের জায়গা। তাই এবারও সপরিবারে চলে এলাম।"

এদিকে কুমিল্লা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি ইমরান ও রেবা জানান, কুয়াশার কারণে ভোরের সূর্যোদয় মিস করলেও বিকেলে লেম্বুর বন এলাকায় সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য তাদের মুগ্ধ করেছে।

কুয়াকাটায় পর্যটনের এই জোয়ার নিয়ে গ্রীন ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন রাজু বলেন, "যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবনীয় উন্নতির ফলে কুয়াকাটায় পর্যটকদের আসা-যাওয়া সহজ হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বহুগুণ বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।"

পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দিয়েছে প্রশাসন। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সৈকত ও গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসিন সাদেক বলেন, "পৌর প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা ও নিরাপত্তা প্রদানে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।"

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...