বিজ্ঞাপন
নিহত ফেরদৌস মুন্সি ওই গ্রামের রহমান মুন্সির ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে অসুস্থ বাবাকে দেখে বাড়ি থেকে বের হন ফেরদৌস। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
রবিবার সকালে স্থানীয়রা সাপুড়িয়া খালের চরে নতুন মাটি কাটার চিহ্ন দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা মাটি সরিয়ে ফেরদৌসের মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে দেখা যায়, ফেরদৌসের গলায় নাইলনের রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া এবং তার বাম হাতের বুড়ো আঙুল কাটা ছিল। নিহতের পরনে একটি শর্টপ্যান্ট ও গেঞ্জি ছিল।
কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সমীর সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের বাম হাতের বুড়ো আঙুল কাটা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...