বিজ্ঞাপন
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে র্যাব সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার পর ঘাতক মিলন আত্মগোপনে চলে যায়। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৩ ও র্যাব-৬ এর একটি যৌথ দল বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
গত ১০ জানুয়ারি দক্ষিণ বনশ্রীর প্রধান সড়কের ‘প্রীতম ভিলা’ নামক বাসায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সেদিন দুপুর দেড়টার দিকে লিলির বড় বোন শোভা জিমে গিয়েছিলেন। তিনি বাসা থেকে ফিরে ছোট বোন লিলিকে মেঝের ওপর কুঁকড়ে পড়ে থাকতে দেখেন।
শোভা জানান, প্রথমে তিনি মনে করেছিলেন লিলি হয়তো মাথায় আঘাত পেয়েছে। কিন্তু তার হিজাব খোলার পর দেখা যায়, গলায় রশি প্যাঁচানো এবং বঁটি দিয়ে গলা কাটা অবস্থায় নিথর দেহ পড়ে আছে।
নিহত ফাতেমা আক্তার লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে তার পরিবারের সঙ্গে দক্ষিণ বনশ্রীর ওই বাসায় বসবাস করত। প্রকাশ্য দিবালোকে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
র্যাব সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আটক মিলনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতা বা কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...