বিজ্ঞাপন
শুনানিতে আশরাফুল আলমের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি অভিযোগ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে আপত্তি, কাগজপত্র নিয়ে বিতর্ক এবং শুনানিতে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।
ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির বলেন, "মনোনয়নপত্রে একজন নারী ভোটারের স্বাক্ষর নিয়ে অযৌক্তিক আপত্তি তোলা হয়েছিল। আমরা শুনানিতে প্রমাণ করেছি যে স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ভোটারেরই ছিল। তাসত্ত্বেও তাকে বাধা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হয়েছে। এটি স্পষ্টত একটি নির্বাচনী প্রকৌশল বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তার তথ্যমতে সব ঠিক থাকলেও কেবল আশরাফুল আলমের ক্ষেত্রেই বিশেষ আপত্তি তোলা হয়েছে। এমনকি শুনানিতে প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থী উপস্থিত হয়ে তার প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান, যা নজিরবিহীন।
ইসির শুনানিতে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির বলেন, আশরাফুল আলম ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি নিজেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। অতীতেও তিনি নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে জগ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, "ভোট একটি পবিত্র আমানত। ভয় দেখিয়ে বা কৌশলে জনপ্রিয় প্রার্থীদের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করছে।"
এদিকে সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...