ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত।
বিজ্ঞাপন
নিহত সমীর উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের রামনন্দপুর গ্রামের কার্তিক কুমার দাসের ছেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে স্বজনদের মাঝে এখন শোকের মাতম চলছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতেও অটোরিকশা নিয়ে ভাড়ার খোঁজে বের হয়েছিলেন সমীর। গভীর রাতে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে নির্জন এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাকে গতিরোধ করে। ধারণা করা হচ্ছে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে এবং তার ব্যবহৃত অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয় পথচারীরা মরদেহটি রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহত সমীরের বাবা কার্তিক কুমার দাস আহাজারি করে বলেন, "আমার ছেলে কারোর কোনো ক্ষতি করেনি। শুধু রুটি-রুজির জন্য সে রিকশা চালাতো। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।" পরিবারের পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সংবাদমাধ্যমকে জানান, "খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে। খুব দ্রুতই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।"
এই ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং স্থানীয় চালকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...