বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ফেরদৌসের ছেলে ও নিহতের ভাতিজা রাকিবুল হাসান সিয়াম (১৬) এবং একই এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে আতিক হাসান (২১)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে শেরপুর থানার একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। পুলিশ জানায়, মূলত চাচার জমির প্রতি লোভ এবং খামারের মুরগি মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই এই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। সিয়ামের ধারণা ছিল, তার চাচা হামিদুল মন্ডল কীটনাশক প্রয়োগ করে তাদের খামারের মুরগি মেরে ফেলেছেন। এই সন্দেহ এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তারা হামিদুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইব্রাহিম আলী জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। তিনি বলেন, “নিহতের জানাজা শেষে যখন স্বজনরা শোকাহত, তখন ঘাতক ভাতিজা সিয়ামের শরীরের অস্বাভাবিক কাঁপাকাঁপি দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত এগিয়ে নিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।”
শেরপুর থানার এসআই সাঈফ, রকিবুল ইসলাম ও বিকাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল সোমবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। ওসি আরও নিশ্চিত করেছেন যে, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ইতিমধ্যেই জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এলাকার একজন প্রতিষ্ঠিত ধান ব্যবসায়ীকে এভাবে আপন স্বজনের হাতে প্রাণ দিতে হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...