বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তারকৃত মুজিবুর রহমান সিকদার সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থীর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও নির্বাচন পরিচালনার প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুজিবুর রহমান সিকদার গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, “মুজিবুর রহমান সিকদারকে সেনাবাহিনীর গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
মুজিবুর রহমান সিকদারের পরিবারের পক্ষ থেকে এই গ্রেপ্তারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। তার ছোট ছেলে শাওন সিকদার অভিযোগ করেন, সোমবার সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে উঠান বৈঠক হওয়ার পরদিনই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমার বাবা যদি ওই মামলার আসামি হয়ে থাকেন, তাহলে এতদিন তাকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি? একটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের ইন্ধনেই প্রশাসন তাকে গ্রেপ্তার করেছে।”
স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “মুজিবুর রহমান সিকদার দীর্ঘদিন গ্রামে থাকলেও যখন তিনি আমার নির্বাচন পরিচালনার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের বিষয়টি স্পষ্ট।” তিনি আরও দাবি করেন, মামলার এজাহারে ‘মুজিবুর সিকদার’ নাম থাকলেও ওই গ্রামে একই নামে অন্তত ৫ জন ব্যক্তি রয়েছেন। সঠিক যাচাই-বাছাই না করেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নির্বাচনী এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...