বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর নির্ধারিত সময়ের মাত্র ৫ মিনিট পরে পৌঁছানোর কারণে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। ওই সময় মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পেরে কার্যালয়ের ভেতরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আব্দুল্লাহ বাদশা। তাঁর সেই কান্নার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে আব্দুল্লাহ বাদশা প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। গত ১২ জানুয়ারি উচ্চ আদালত তাঁর রিটের শুনানি শেষে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার বিষয়ে অনুমোদন প্রদান করেন। আদালতের এই নির্দেশনার পর বুধবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে তিনি তাঁর মনোনয়নপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেন।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে আব্দুল্লাহ বাদশা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, "সময় বিলম্বের অজুহাতে আমার মনোনয়নপত্র জমা না নেওয়ায় আমি বাধ্য হয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হই। আল্লাহর রহমতে হাইকোর্ট আমার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষেই আজ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।"
তিনি আরও যোগ করেন, "আশা করছি দুই-একদিনের মধ্যেই মনোনয়নের বৈধতার বিষয়ে চূড়ান্ত ফলাফল পেয়ে যাব। যদি বড় কোনো আইনি জটিলতা তৈরি না হয়, তবে আমি শেরপুর-২ আসন থেকে 'ঈগল পাখি' প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব ইনশাআল্লাহ।"
বর্তমানে তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার বিষয়টি শেরপুর-২ আসনের নির্বাচনী আলোচনায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...