বিজ্ঞাপন
সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, “গোপালগঞ্জে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার কোনো সুযোগ কাউকেই দেওয়া হবে না। কেউ যদি নির্বাচন বানচাল করতে বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং গণভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের মধ্যে সর্বোচ্চ সমন্বয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় মুক্ত আলোচনা পর্বে সাধারণ ভোটার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জেলা প্রশাসক।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, গোপালগঞ্জ জেলা সেনা ক্যাম্পের মেজর জুভিন ওয়াহিদ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. অলিউল ইসলাম, গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বসু।
সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মো. এনামুল হক তালুকদারের সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে জেলার তিনটি নির্বাচনী আসনের (গোপালগঞ্জ-১, ২ ও ৩) ভোটকেন্দ্রগুলো ইতিমধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার। কেন্দ্র পরিদর্শনে তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, জেলা অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প কমান্ডার (১৯ ই বেঙ্গল) লে. কর্নেল জেড এম মাবরুকূল ইসলাম, পিএসসি এবং জেলা নির্বাচন অফিসার।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ভোটারদের আস্থা ফেরাতে এই পরিদর্শন ও জনসচেতনতামূলক সভা অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবেদক- কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...