বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চন্দনাইশের বদুরপাড়া পাক্কাদোকান এলাকা থেকে পেট্রোল পাম্পের সামনের সড়কে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল লাঠি ও চাকু নিয়ে হাসনাত ও মাঈনউদ্দীনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আক্রান্ত হাসনাত আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠরা ও স্থানীয় জুলাইযোদ্ধারা মনে করছেন, সাম্প্রতিক একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির জেরে এই পরিকল্পিত হামলা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, চট্টগ্রাম–১৪ আসনের বিতর্কিত প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল ও তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে জুলাইযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। ওই স্মারকলিপি প্রদানের কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে জসিমের অনুসারীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।
ঘটনার পর এনসিপি নেতা হাসান আলী তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, "আমার অত্যন্ত কাছের ছোট ভাই, জুলাইয়ের আহত গেজেটপ্রাপ্ত বীর হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর চন্দনাইশ বদুরপাড়ায় সন্দেহভাজন স্বৈরাচারের দোসররা হামলা করেছে। এই দৃশ্য আমি কোনোভাবেই স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছি না।"
চট্টগ্রাম–১৪ আসনের এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "জুলাইযোদ্ধাদের জন্য এখন বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছে, তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে নির্বাচনের পরিবেশ কখনোই স্বাভাবিক থাকতে পারে না।"
আহত হাসনাত আব্দুল্লাহর স্বজনরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চন্দনাইশের সাধারণ মানুষ ও জুলাই আন্দোলনের বিপ্লবীরা এই ন্যাক্কারজনক হামলার সাথে জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, এনসিপি নেতা হাসান আলী আগে ওই আসনে প্রার্থী থাকলেও বর্তমানে তিনি এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুকের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...