বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুরির ঘটনার পরপরই ভাটারা থানায় নাসিরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে এবং তার পরিচয় যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানতে পারেন যে, নাসির ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সংঘটিত একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ভাটারা থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে আলফাডাঙ্গা থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানা যায়, গত ২৫ ডিসেম্বর আলফাডাঙ্গার সদর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ জাটিগ্রামে বিএনপি নেতা সাইফুল সর্দারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় নাসির ২০ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর ভোররাতে নিজ বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হন বিএনপি নেতা ও আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সাইফুল সর্দার। গ্রাম্য বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ‘শুটার জুয়েল’ নামে পরিচিত এক সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত পুলিশ পরিচয়ে তার ঘরে প্রবেশ করে। এরপর পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে সাইফুল সর্দারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, ভাটারা থানা পুলিশের মাধ্যমে আসামি নাসির মিয়া গ্রেপ্তারের খবর পাওয়ার পরপরই প্রয়োজনীয় নথিপত্র ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তাকে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলেও, দ্রুতই তাকে সাইফুল সর্দার হত্যা মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ (Shown Arrest) দেখিয়ে আদালতে হাজির করার আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়া এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...