বিজ্ঞাপন
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, শনিবার রাত ১০টার দিকে নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজার সংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনের সড়কে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার মো. শহীদের ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
নিহতের শ্যালক মোহাম্মদ জামাল অভিযোগ করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১০ জানুয়ারি তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। শনিবার রাতে তাঁর ভগ্নিপতি মিজানুর রহমান কালিরহাট বাজারে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়ে ওই হামলার বিচার দাবি করেন। সেখানে বিএনপি নেতা এনামুল হক মাসুদের সঙ্গে তাঁর বাকবিতণ্ডা হয়।
জামালের দাবি, মাসুদের ইন্ধনে এবং তাঁর উপস্থিতিতেই একদল লোক মিজানকে আটক করে লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। হামলায় জড়িত হিসেবে নুর মোহাম্মদ বাচ্চু, যুবদল নেতা হাফিজ উদ্দিনসহ ১৫-১৬ জনের নাম উল্লেখ করেছেন তিনি। পিটুনিতে ঘটনাস্থলেই মিজানের মৃত্যু হলে মরদেহ সড়কে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় আদালতে মামলা করা হবে বলে পরিবার জানিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুনুর রশীদ হারুন বলেন, কার্যালয়ে কথাকাটাকাটি হলেও পরে কী হয়েছে তা তাঁদের জানা নেই। মিষ্টি বিতরণের বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেছেন।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁঞা জানান, নিহতের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরি, অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল বলেও পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে এবং অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...