বিজ্ঞাপন
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুবকর সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শনিবার রাতে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে এই সংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্যাবলি উল্লেখ করে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠির তথ্যানুযায়ী, গত শনিবার সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামে অনুমতি ছাড়া প্যান্ডেল তৈরি করে একটি বড় জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে গিয়ে সমাবেশটি ভেঙে দেয়। এ সময় দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান জনসভা আয়োজনের দায়ে জুয়েল মিয়া নামে একজনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জরিমানার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা উত্তেজিত হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। তিনি প্রকাশ্য জনসম্মুখে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেন এবং আঙুল উঁচিয়ে বারবার হুমকিমূলক ভঙ্গিতে কথা বলেন। এ সময় তাঁর সাথে থাকা জুয়েল মিয়াসহ আরও কয়েকজন মারমুখী আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার চিঠিতে আরও দাবি করা হয়, এসব ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলে একটি ‘মব’ বা উশৃঙ্খল জনতা সৃষ্টি হয়, যা ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারিক কাজে গুরুতর বাধার সৃষ্টি করে। কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেটকে ভয়ভীতি প্রদর্শন নির্বাচনী আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার বলেন, “নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং আচরণবিধি কার্যকর রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া না গেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...