বিজ্ঞাপন
নিহত স্বর্ণা আক্তার ওই গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী এবং মো. বেলায়েত ভূঁইয়ার মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৮টার দিকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বর্ণার সাথে তাঁর স্বামী রবিউল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে রবিউল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বর্ণার মা ফাহিমা আক্তার মেয়ের ঘরের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি শুরু করেন। ভিতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় স্বর্ণাকে ঝুলন্ত দেখতে পান।
পরে স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল ৯টার দিকে স্বর্ণাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে।
ভাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...