বিজ্ঞাপন
ইসি জানায়, আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং ২২ জানুয়ারি চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ পাবে।
রোডম্যাপ অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। একইদিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার বিধানাবলী অনুসরণ, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম, নির্বাচন মনিটরিং টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠন এবং নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের আনুষঙ্গিক খাতে প্রদত্ত অর্থের ব্যয় নির্বাহ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে।
২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা নির্বাচন কমিশনে প্রাপ্তির কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এদিন দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি, ই-মেইল প্রেরণ ও যোগাযোগ করা হবে। এছাড়া FEMBOSA, E-Web বা অনুরূপ আন্তর্জাতিক সংস্থাকে—যেসব সংস্থায় বাংলাদেশ সদস্য—নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।
২২ জানুয়ারি ব্যালট পেপার মুদ্রণের কাজে তদারকির জন্য দায়িত্ব সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হবে। নির্বাচনি কাজে ব্যয় নির্বাহের জন্য মাঠ পর্যায়ে দ্বিতীয় পর্বে অর্থ বরাদ্দ ও মঞ্জুরি দেওয়া হবে এবং ভোটকেন্দ্রের তালিকা গেজেটে প্রকাশের জন্য বিজি প্রেসে প্রেরণ করা হবে। একই দিনে নির্বাচনী এজেন্ট ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগ, তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, নির্বাচনী ব্যয় বিবরণী দাখিল ও তা দাখিল না করার ক্ষেত্রে শাস্তি, নির্বাচনে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ ও জাল ভোট প্রদান রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এছাড়া ভোটগ্রহণের সময় সংক্রান্ত গণ-বিজ্ঞপ্তি, ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা, পুনঃভোটগ্রহণ ও পুনর্নির্বাচন, প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক সংবলিত পোস্টার প্রদর্শন, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার এবং ডাকযোগে সরাসরি নির্বাচন কমিশনে ফলাফল প্রেরণের বিষয়ে নির্দেশনা থাকবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যালট পেপার মুদ্রণ ও সরবরাহ, ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সামগ্রী বিতরণ, যাচাইকরণ ও ব্যবহার সংক্রান্ত কার্যক্রমও এদিন নির্ধারিত রয়েছে।
২৪ জানুয়ারি নির্বাচনী সামগ্রী যাচাইকরণ, ব্যালট পেপারসহ বিভিন্ন ধরনের সিলের গোপনীয়তা রক্ষা, ভোটদান পদ্ধতি, ভোটগণনা, ফলাফল একত্রীকরণ, সমভোটের ক্ষেত্রে করণীয়, একত্রীকরণের পর পুনঃসিলগালাকরণ, নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধের সময়সীমা এবং বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। একই দিনে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা ও সমন্বয় সেল গঠন সংক্রান্ত আদেশ জারি এবং আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
২৫ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনক্রমে ব্যালট পেপার মুদ্রণের জন্য গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেসকে মুদ্রণাদেশ প্রদান করা হবে।
২৮ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইসির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তাবিত অর্থের চাহিদা যাচাই-বাছাই এবং নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের অনুমতি প্রদান করা হবে।
এরপর আগামী ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অর্থ বরাদ্দ ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেবে নির্বাচন কমিশন। ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি ব্যালট ও অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হবে।
তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...