বিজ্ঞাপন
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে দাখিলকৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদ্রাসায় ল্যাব বা বিজ্ঞান বিভাগ না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে অধ্যক্ষ বিধি বহির্ভূতভাবে ‘ল্যাব সহকারী’ পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ পরীক্ষার আগেই পছন্দের প্রার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয়েছিল। মেধাবী প্রার্থীদের বাদ দিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের নিয়োগ দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে আরও জানানো হয়, মিতালী খানম নামে এক প্রার্থী গবেষণাগার-ল্যাব সহকারী পদে আবেদন করলেও তাকে বিধিবহির্ভূতভাবে ‘কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ‘অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ পদে রিপন মোল্যা নামে এক প্রার্থী পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেলেও তাকে বাদ দিয়ে মারুফ ও মুজাহিদ নামে অন্য দুই প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি আনিচুর রহমান বলেন, “অধ্যক্ষ এককভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। এখানে মেধার কোনো মূল্যায়ন হয়নি, হয়েছে টাকার খেলা। আমি এই বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।”
এদিকে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ মো. জাকারিয়া বলেন, “ডিজির প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষার দিন আমি নীরব ভূমিকায় ছিলাম। আমার সামনে যা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। পরবর্তীতে পিছন দিয়ে কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই।”
এই বিতর্কিত নিয়োগের প্রতিবাদে এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...