Logo Logo

নির্বাচনী নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে ৪২৮টি ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড


Splash Image

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তার কাজে প্রথমবারের মতো ৪২৮টি ড্রোন এবং ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হবে।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ লক্ষ, নৌ-বাহিনী ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, পুলিশ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, আনসার ও ভিডিপি ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, র‍্যাব ৭ হাজার ৭০০ এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিসের ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করবে।

সারাদেশে মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৮ হাজার ৭৮০টিকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ এবং ১৬ হাজার ৫৪৮টিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৭ হাজার ৪৩৩টি। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ সদস্যরা ২৫ হাজার বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন।

নির্বাচনী এলাকায় নজরদারির জন্য সেনাবাহিনী ২০০টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টিসহ বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৪২৮টি ড্রোন সমন্বিতভাবে ব্যবহার করবে। এছাড়া ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ গ্রহণ ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরুরি সেবা ৯৯৯-এ বিশেষ টিম গঠন করে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে।

দুই পর্বে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তার জন্য ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ৭ দিন সদস্যরা মাঠে থাকবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালিত হবে। ইতিমধ্যে বাহিনীর সদস্যদের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে যা ২০ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর বা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপতৎপরতা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান ও চেক পয়েন্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...