আয়েশা সিদ্দিকার বাবার হাতে আর্থিক সহায়তায় তুলে দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
বিজ্ঞাপন
আয়শা সিদ্দিকা নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের পূর্ব ঘুগড়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী ওরফে মিস্টারের তৃতীয় কন্যা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জন্মের ছয় মাস বয়স থেকেই আয়শার অস্বাভাবিকভাবে মাথা ঘামতো। পরবর্তীতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ধরা পড়ে তার হার্টে ছিদ্র রয়েছে এবং বাল্বে সমস্যা আছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আয়শাকে সুস্থ করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন প্রয়োজন, যার জন্য খরচ হবে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। পেশায় দরিদ্র মোহাম্মদ আলীর পক্ষে এই বিশাল ব্যয়ভার বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।
শিশুটির চিকিৎসার জন্য অর্থের সংকুলান না হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছিল পরিবারটি। বিষয়টি ‘দৈনিক ভোরের বাণী’র নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি সারোয়ার হোসাইনের নজরে এলে তিনি শিশুটির অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক দুরবস্থা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন। সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত সাড়া দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
সহায়তা প্রদানকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন বলেন, “উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কিছু নগদ অর্থ সহায়তা করা হয়েছে। আমরা শিশুটির চিকিৎসার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে আরও বড় ধরনের আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
আর্থিক সহায়তা পেয়ে আয়শার বাবা মোহাম্মদ আলী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “মেয়ের অপারেশনের জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। এই সহায়তা আমাদের অনেক বড় উপকার করল। আমি উপজেলা প্রশাসন এবং ভোরের বাণী’র প্রতিনিধির প্রতি কৃতজ্ঞ।”
নালিতাবাড়ীর স্থানীয় সাধারণ মানুষ সংবাদপত্রের এমন ইতিবাচক ভূমিকা এবং প্রশাসনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...