বিজ্ঞাপন
বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ এই রিট আবেদনটির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। অন্যদিকে, আবেদনকারীর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই শেষে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন একই আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ।
হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী তার নির্বাচনী হলফনামায় ঋণখেলাপ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন। গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন অভিযোগের সত্যতা পায় এবং হাসনাত আবদুল্লাহর আবেদন মঞ্জুর করে মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেয়।
নির্বাচন কমিশনের ওই সিদ্ধান্তকে ‘বেআইনি’ দাবি করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। কিন্তু হাইকোর্ট সেই রিট খারিজ করে দেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে বহাল রইল। এই রায়ের ফলে কুমিল্লা-৪ নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...