বিজ্ঞাপন
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়নের ছফিলপুর বাজারসংলগ্ন কালিবাড়ি কালিপুর দারুচ্ছুন্নাৎ সোমোদিয়া (কেডিএস) দাখিল মাদ্রাসায়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার আবু জাফর মো. সালেহ। সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সদস্য এবং শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ভারপ্রাপ্ত সুপার আবু জাফর মো. সালেহ পাথরঘাটা থানায় একটি এজাহার আবেদন করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২০ জানুয়ারি) সকালে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে আলোচনা চলাকালে কয়েকজন ব্যক্তি বাধা প্রদান করে। অভিযোগে বলা হয়, তারা অনধিকার প্রবেশ করে মাদ্রাসা চত্বরে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে এবং লোহার গেটে ধাক্কাধাক্কি করে ক্ষতিসাধন করে। একপর্যায়ে ভারপ্রাপ্ত সুপারকে হুমকি দেওয়া হয় এবং তাকে রক্ষা করতে গেলে এক শিক্ষক শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে এজাহার আবেদন করা হয়েছে। অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ লঙ্ঘনের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পরদিন বুধবার মাদ্রাসায় কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত না থাকায় শ্রেণিকক্ষগুলো ফাঁকা দেখা যায়। অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে, যার কারণে তারা সন্তানদের মাদ্রাসায় পাঠাতে আতঙ্কিত।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম পিন্টু মুন্সি বলেন, “আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। পূর্বশত্রুতার জেরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।”
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা জানান, “এজাহার আবেদন পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...