বিজ্ঞাপন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটিতে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থী না দিয়ে শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবকে সমর্থন দিয়েছে। তিনি নিজ দলীয় প্রতীক ‘খেজুর গাছ’ নিয়ে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১০ দলীয় জোটের শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মাওলানা আশরাফ মাহদী এ আসনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক পেয়েছেন।
জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা তাঁর দলীয় প্রতীক ‘লাঙ্গল’ পেয়েছেন। এছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত এডভোকেট তৈমুর রেজা মো. শাহজাদ ‘তারা’ প্রতীক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবু নেছার আহমদ ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো বিএনপির বহিষ্কৃত দুই নেতার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ। বিএনপির সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পেয়েছেন ‘কলার ছড়ি’ প্রতীক।
উল্লেখ্য যে, দলীয় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এ আসন থেকে নিজের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোবারক হোসাইন। ফলে এ আসনে জামায়াত সমর্থিত ১০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী হিসেবে মাওলানা আশরাফ মাহদীই থাকছেন।
প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই সরাইল ও আশুগঞ্জ এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। বড় দলগুলোর শরিক প্রার্থী এবং আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এই আসনে এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...