বিজ্ঞাপন
উৎসবমুখর নির্বাচনের প্রত্যাশা জনসভায় মাহমুদুন্নবী তালুকদার বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছর পর এদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে উৎসবমুখর। ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন।"
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বাকেরগঞ্জের কোনো কেন্দ্রে যদি কেউ পেশী শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অন্তরায় সৃষ্টি করতে চায়, তবে সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করবে।
সাবেক সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "দেশ দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট শক্তির করাল গ্রাসে আবদ্ধ ছিল। সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা রুদ্ধ করা হয়েছিল এবং ভোটাররা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। দেশের মানুষ আর কোনো পলাতক ফ্যাসিস্ট বা অপশক্তিকে ক্ষমতার মসনদে দেখতে চায় না।"
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে এদেশের জনগণ আর বরদাস্ত করবে না।
মাহমুদুন্নবী তালুকদার তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশের সম্পদ রক্ষা এবং জনগণের প্রকৃত অধিকার নিশ্চিত করতে হলে 'ন্যায় ও ইনসাফ' ভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচনে কোনো প্রকার কারচুপি বা প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা করা হলে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
জনসভায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কয়েক হাজার সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বাকেরগঞ্জের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী জোয়ার তৈরি এবং ভোট কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...