Logo Logo

সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের


Splash Image

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামীতে দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে কোনো একক দল নয়, বরং দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে সাথে নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল সোয়া ৪টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (বড় মাঠ) আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।

জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতের পক্ষ থেকে দেশ গড়ার তিনটি মূল শর্ত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন: ১. আমরা নিজেরা কোনো দুর্নীতি করব না এবং কোনো দুর্নীতিবাজকে প্রশ্রয় দেব না। ২. ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ৩. সকল প্রকার বৈষম্যের কবর রচনা করতে হবে এবং এজন্য আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে।

উত্তরাঞ্চলের অবহেলার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, “একশ্রেণির ধুরন্ধর গোষ্ঠী এই অঞ্চলের মানুষকে পরিকল্পিতভাবে গরিব করে রেখেছে। দুর্নীতি ও দুঃশাসন না থাকলে উত্তরাঞ্চল কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী হতে পারত।” তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ চললে কৃষকরা তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন। এছাড়া প্রতিটি জেলায় মানসম্মত মেডিকেল কলেজ, বিমানবন্দর চালু এবং ফসল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার বা শস্যাগার নির্মাণেরও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বেকারদের মর্যাদা রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “অনেকে বেকার ভাতা দেওয়ার কথা বলেন, কিন্তু আমরা মনে করি এটি অসম্মানের। আমরা প্রতিটি ঘরকে এক একটি ইন্ডাস্ট্রিতে (ক্ষুদ্র শিল্প) পরিণত করব এবং বেকারদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করব।”

জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি পঞ্চগড় ও দিনাজপুরে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে জনসভা করবেন ডা. শফিকুর রহমান। এরপর গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা সফর করে তিনি ঢাকায় ফিরবেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...