বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিন্টু রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
ডিবি প্রধান জানান, কারওয়ান বাজারে প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের ৮-৯টি সক্রিয় সিন্ডিকেট রয়েছে। এই চাঁদাবাজির অর্থ নিয়ে বিরোধের জেরে আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে ‘বিনাশ’-এর নির্দেশে মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়। বিনাশ বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও তাঁর অর্থায়ন ও নির্দেশনায় এই হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে উঠে এসেছে।
গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত অন্যতম শুটার মো. রহিমকে গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) নরসিংদীর মাধবদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তাঁর কাছ থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে ১১ জানুয়ারি জিন্নাত, আবদুল কাদির, রিয়াজ ও বিলাল নামের আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে এই মামলায় মোট ৫ জন গ্রেপ্তার হলো।
হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে ডিবি প্রধান বলেন, “সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানারের আশ্রয় নেয়। তাদের আমরা চাঁদাবাজ হিসেবেই চিহ্নিত করছি।” সিসিটিভি ফুটেজে গ্রেপ্তারকৃত রহিম ও জিন্নাতকে গুলি করে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
সামনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশ অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে উল্লেখ করে শফিকুল ইসলাম বলেন, এই মাসে আমরা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছি। কারওয়ান বাজারের এই চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটগুলো ভেঙে দিতে অচিরেই বড় ধরনের অভিযানে নামবে ডিবি।
উল্লেখ্য, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তর সিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডের পরদিন তাঁর স্ত্রী তেজগাঁও থানায় ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...