বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর এই যৌথ তৎপরতায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা বা ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে যৌথ বাহিনী।
গোপালগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনীর পেশাদার ‘কম্বিং অপারেশন’ এবং নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রধান সড়ক ও জেলা শহরের প্রবেশপথগুলোতে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিবিড়ভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী বাজার এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাছনাত-এর উপস্থিতিতে সেখানে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল, বাস ও ট্রাকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ওভারলোড পরীক্ষা করা হয়।
অভিযান চলাকালে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৭ জন মোটরসাইকেল চালককে এবং বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ২টি দোকানকে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
যৌথ বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ জনগণ যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে মাঠে থেকে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...