বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ এবং বিকেলে শেরপুরের মহিপুর খেলার মাঠে আয়োজিত পৃথক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল দুর্নীতি ও দুশাসনমুক্ত বাংলাদেশ। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে।”
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা জনগণের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে, তাদের কাছ থেকে পাই পাই করে টাকা আদায় করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “জামায়াতের লোকেরা অতীতে কখনও চাঁদাবাজি করেনি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে করতে দেবে না।”
আমিরে জামায়াত বলেন, তারা একা সরকার গঠন করতে চান না বরং সবাইকে নিয়ে দেশ গড়তে চান। তবে জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য তিনটি শর্ত দেন: ১. দুর্নীতি করবেন না এবং কাউকে করতে দেবেন না। ২. বিচার বিভাগের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করা যাবে না। ৩. ছাত্র-জনতার বিপ্লবের লক্ষ্য ও সংস্কার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করতে হবে।
নারীদের সম্মানের বিষয়ে তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জামানায় নারীরা যেমন নিরাপদ ছিলেন, জামায়াত শাসিত বাংলাদেশেও মায়েদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও ইজ্জত নিশ্চিত করা হবে।
যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমরা বেকার ভাতা দিয়ে যুবকদের অসম্মান করতে চাই না, বরং প্রত্যেকের হাতে কাজ তুলে দিয়ে তাদের কারিগরের হাতে পরিণত করতে চাই।”
জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান বগুড়া জেলার ৭টি সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাঁদের হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দেন। প্রার্থীরা হলেন— অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন (বগুড়া-১), মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান (বগুড়া-২), নূর মোহাম্মদ আবু তাহের (বগুড়া-৩), ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ (বগুড়া-৪), দবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), আবিদুর রহমান সোহেল (বগুড়া-৬) এবং গোলাম রব্বানী (বগুড়া-৭)।
বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হকের সভাপতিত্বে জনসভায় কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও মাওলানা আব্দুল হালিমসহ ১০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...