ডানে দেউলী মোহাম্মদীয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবুল ফারাহা আলী আকবর।
বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও দৈনিক মানবজমিন-এর বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ শামিম আহমেদ জানান, দেউলী মোহাম্মদীয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবুল ফারাহা আলী আকবর ও শিক্ষক মোঃ এনায়েতুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, দ্বৈত এমপিও এবং জাল নিবন্ধন সনদ সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তথ্যানুসন্ধানে যান তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানতে চাইলে অধ্যক্ষ ও ওই শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা বলেন, “আমরা কোনো তথ্য দেব না, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নেবেন।”
অভিযোগ অনুযায়ী, কথোপকথনের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সাংবাদিক শামিম আহমেদকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করেন এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একই সাথে তাঁকে মিথ্যা নারী কেলেঙ্কারি ও চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার প্রকাশ্য হুমকি দেন অধ্যক্ষ আবুল ফারহা আলী আকবর।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এর আগে ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রায় ৭৮ লাখ টাকার আর্থিক অনিয়ম ও বিবিধ দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ক্ষোভ থেকে অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও ভিত্তিহীন মন্তব্য প্রচার করে আসছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য অনুসন্ধান করা সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। এ ধরনের প্রকাশ্য হুমকি কেবল স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর আঘাতই নয়, বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য এক বড় অন্তরায়। অভিযুক্তরা নিজেদের অপরাধ ঢাকতেই এ ধরনের মারমুখী আচরণ করছেন বলে স্থানীয়রা মনে করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ আবুল ফারহা আলী আকবর ও শিক্ষক মো. এনায়েতুর রহমানের সাথে পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...