বিজ্ঞাপন
গত শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। দুই দশক পর ফেনীতে কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দিয়ে তারেক রহমান টানা ২৫ মিনিট বক্তব্য প্রদান করেন।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, "বিএনপি সরকার গঠন করলে জনগণের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধানের কাজ শুরু করবে। আমাদের লক্ষ্য একটাই—এই দেশকে গড়তে হবে। এই দেশই আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা। এখানে আমাদের জন্ম এবং এখানেই মৃত্যু। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর দেশ গড়তে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি এক ব্যতিক্রমী আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "ভোটের দিন যাঁরা তাহাজ্জুদ পড়েন না, তাঁরাও তাহাজ্জুদের সময় ঘুম থেকে উঠবেন। নামাজ শেষে ভোটকেন্দ্রের সামনে গিয়ে ফজরের জামাত আদায় করবেন। সকাল ৭টার পর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন। ভোট দেওয়া শেষে ভোটের হিসাব-নিকাশ বুঝে নেওয়া ছাড়া কেউ বাড়ি ফিরবেন না।" তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, দেশের মানুষের সঠিক সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।
ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জড়ো হন। বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে তারেক রহমান সমাবেশস্থলে পৌঁছান এবং মাগরিবের নামাজ শেষে মঞ্চে ওঠেন। মঞ্চের পাশে গুমের শিকার পরিবারের সদস্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় বক্তব্য দেন আব্দুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩), জয়নুল আবেদিন ফারুক (নোয়াখালী-২), ভিপি জয়নাল (ফেনী-২), মাহবুব উদ্দিন খোকন (নোয়াখালী-১), শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (লক্ষ্মীপুর-৩) এবং মুন্সী রফিকুল আলম মজনু (ফেনী-১)। এছাড়া কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম, ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের অসংখ্য নেতা বক্তব্য রাখেন।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভা শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে তারেক রহমান কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দেন। এর আগে বেলা ৩টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...