জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন যে, পে-স্কেল নিয়ে কমিশন কেবল তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ ও আর্থিক সংশ্লেষ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, "পে-কমিশনের প্রতিবেদনটি শুধু জমা দেওয়া হয়েছে। এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। পরবর্তী সময়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে যে সরকার আসবে, তারা চাইলে এটি বাস্তবায়ন করতে পারবে অথবা বাতিলও করতে পারবে।"
নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা হলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও উপদেষ্টা মনে করেন না এটি পরবর্তী সরকারের জন্য বোঝা হবে।
তিনি জানান, এই প্রস্তাবিত পে-স্কেল নির্বাচিত সরকারের জন্য কোনো বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে না। মূলত আগামী সরকার যাতে সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সেজন্যই পে-কমিশন তাদের সুপারিশগুলো গুছিয়ে পেশ করেছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে নবম জাতীয় পে-কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়। প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ গ্রেডে ১,৬০,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়েছিল।
তবে আজকের ঘোষণার মাধ্যমে সরকার পরিষ্কার করে দিল, নির্বাচনের আগে বেতন বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াটি কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকছে; বাস্তবায়নের চাবিকাঠি থাকবে আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের হাতে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...