বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন কমিশনার জানান, এবার সাধারণ ব্যালট ও পোস্টাল ব্যালট একই সময়ে গণনা করা হবে। তবে প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালট গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। এ বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "প্রতিটি ব্যালটে ১১৯টি প্রতীক রয়েছে। তাই প্রবাসীদের পাঠানো ব্যালটের প্রতীকগুলো পোলিং এজেন্টদের স্পষ্টভাবে দেখিয়ে নিশ্চিত করতে হবে যে ভোটার কোথায় ভোট দিয়েছেন।"
তিনি আরও জানান, প্রবাস থেকে আসা ভোটগুলো ডাক বিভাগ সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেবে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ পোস্টাল ব্যালটগুলো স্থানীয় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সংগৃহীত হবে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, এবার মানুষের মাঝে ভোট দেওয়ার ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এই প্রত্যাশাকে সম্মান জানিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। দুষ্টচক্র যেন প্রতিপক্ষের ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।
তিনি বলেন, “সবাই নিজের ভোটারদের সাথে নিয়ে আসুক তাতে কোনো বাধা নেই, তবে অন্যকে বাধা দেওয়া বরদাশত করা হবে না। এটি নিশ্চিত করা প্রশাসনের পবিত্র দায়িত্ব।”
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাচন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ।
সভায় বক্তারা নির্বাচনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ এবং আসন্ন গণভোট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...