বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা কোনোভাবেই কোনো পক্ষ নিতে পারবেন না।
তিনি আরও বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে কর্মকর্তাদের কেবল জনগণকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তবে কোনো বিশেষ পক্ষের হয়ে প্রচারণায় অংশ নেওয়া হবে সম্পূর্ণ বেআইনি।”
নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের ওপর হামলা বা শঙ্কার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত খবর এবং মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন অনুযায়ী পরিবেশ ভালো। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, আনসার, কোস্টগার্ডের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং এমনকি বিএনসিসিকেও (BNCC) নিরাপত্তার কাজে যুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, ৮ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছে। এই সময়ে ১২৮টি নির্বাচনী এলাকায় ১৪৪টি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়ে। মামলা দায়ের হয়েছে ৯৪টি এবং মোট জরিমানা হয়েছে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা।
ভোটের ফলাফলের বিষয়ে ইসি জানান, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসাথে হওয়ায় গণনা ও ফলাফল প্রকাশে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তবে আশা করা হচ্ছে অধিকাংশ ফলাফল নির্বাচনের দিন মধ্যরাত বা শেষ রাতের মধ্যে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে স্থানীয়ভাবে কতগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন সম্ভব হয়েছে, সে তথ্য মাঠপর্যায় থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
পরিশেষে তিনি জানান, কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে এবং সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...