বিজ্ঞাপন
ফোর্বস ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেসএক্স ও এক্সএআইয়ের এই একীভূতকরণের ফলে যৌথ প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এই চুক্তির ফলে মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদ একলাফে প্রায় ৮৪ বিলিয়ন ডলার বেড়ে মোট ৮৫২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
হিসাব অনুযায়ী, স্পেসএক্সে মাস্কের ৪২ শতাংশ এবং এক্সএআইতে ৪৯ শতাংশ মালিকানা ছিল। একীভূতকরণের পর নতুন যৌথ সত্তায় তাঁর মালিকানা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫৪২ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে স্পেসএক্সই মাস্কের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়েছে, যা তাঁর ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলাকেও (Tesla) ছাড়িয়ে গেছে। টেসলাতে মাস্কের শেয়ার ও অপশনের বর্তমান মূল্য প্রায় ৩০২ বিলিয়ন ডলার।
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি মাস্কের দ্বিতীয় বড় ব্যবসায়িক একীভূতকরণ। এর আগে গত মার্চে তিনি এক্সএআই এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স (সাবেক টুইটার) একীভূত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে এই চুক্তিগুলোতে মাস্ক নিজেই ক্রেতা ও বিক্রেতার ভূমিকায় থাকায় কোম্পানির ঘোষিত মূল্যায়ন নিয়ে বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
বর্তমানে মাস্কের সকল প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের কাঠামোর আওতায় চলে এসেছে। আগামী বছরের শেষ দিকে স্পেসএক্স আইপিও (IPO) বা শেয়ারবাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা কোম্পানিটিকে কঠোর নজরদারি ও স্বচ্ছতার মুখোমুখি করবে।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরেই ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ৭০০ বিলিয়ন ডলারের মালিক হয়েছিলেন মাস্ক। ইনফরমা কানেক্ট একাডেমির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্পদের এই উর্ধ্বমুখী গতি বজায় থাকলে ২০২৭ সালের মধ্যেই ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নিয়ার’ বা এক লাখ কোটি ডলারের মালিক হতে পারেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...