বিজ্ঞাপন
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার সুলতানশাহী কেকানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনে (সদর ও কাশিয়ানীর একাংশ) স্বতন্ত্র প্রার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান ভূইয়া (লুটুল)।
টেলিফোন প্রতীকের এই প্রার্থী তাঁর বক্তব্যে বলেন, "আমি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমার নিজের জন্য চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। বর্তমানে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকেসহ গোপালগঞ্জের হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। আপনারা যদি আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, তবে আগামী প্রজন্ম কখনোই বলতে পারবে না যে লুটুল ভূইয়া একজন অসৎ বা স্বার্থপর এমপি ছিলেন।"
তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দেন যে, নির্বাচিত হলে গোপালগঞ্জে কোনো বেকার থাকবে না এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার মাধ্যমে সবাইকে স্বাবলম্বী করা হবে।
সাবেক ইউপি সদস্য আঃ খালেক সরদারের সভাপতিত্বে এবং মোঃ হেলাল মুন্সির সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোঃ মামুন চৌধুরী, মোঃ মাসুম মোল্যা, মোঃ ঠান্ডু শেখ, মোঃ অলিয়ার রহমান ও কিনু মল্লিকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা কামরুজ্জামান ভূইয়া লুটুলকে একজন সৎ, আদর্শবান ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, লুটুল ভূইয়াকে জাতীয় সংসদে পাঠাতে পারলে গোপালগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ করে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্ত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।
তাঁরা ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভোটের দিন টেলিফোন প্রতীকে ভোট দিয়ে এবং ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করে ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে পুনর্জীবিত করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে জনসভাটি শেষ হয়। সভায় গোপালগঞ্জ ও কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদক- কেএম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...