বিজ্ঞাপন
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান।
তিনি বলেন, সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে ছিল, তবে আজ থেকে তাদের তৎপরতা আরও বাড়বে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ইসির কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল সার্বক্ষণিকভাবে ‘সুরক্ষা’ অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করবে।
নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ আরও জানান, বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বৈঠকের পর তারা নিশ্চিত করেছেন যে, মাঠের পরিবেশ সন্তোষজনক এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক। রিটার্নিং অফিসারদের সাথে সমন্বয় করে সকল বাহিনী তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার, পুলিশের ১ লাখ ৫০ হাজার, সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ এবং বিজিবির ৩৫ হাজার সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়াও র্যাব, এপিবিএন এবং কোস্টগার্ড উপকূলীয় ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কমিশন। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে ১৬-১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন সদস্য থাকবেন। মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৬-১৭ জন এবং দুর্গম এলাকার কেন্দ্রগুলোতে ১৮ জন পর্যন্ত নিরাপত্তা সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। দেশের ২৫টি জেলার দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে মোট ২ হাজার ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং ১৩ কোটি ভোটার ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...