বিজ্ঞাপন
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের হারানো ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, যদি নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, তবে দেশে রাষ্ট্র সংস্কারের একটি ঐতিহাসিক ও বড় সুযোগ সৃষ্টি হবে।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন পর্যন্ত মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, এবার কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির সুযোগ নেই। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিরপেক্ষভাবে এবং যথাযথভাবে পালন করবেন বলেও তিনি আস্থা ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ঠাকুরগাঁও সফর স্থানীয় রাজনীতিতে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করেছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিএনপি প্রতিটি নির্বাচনকেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয় এবং নির্বাচনী লড়াইয়ে কোনো প্রতিপক্ষকেই দুর্বল মনে করে না।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত কৌশলগত কারণে বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা এবং ভুয়া সংবাদ ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে বিএনপি সবসময়ই গঠনমূলক ও ইতিবাচক রাজনীতিতে বিশ্বাসী এবং সে পথেই এগিয়ে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যাকে খুশি তাকেই ভোট দিন, এটাই আমাদের গণতান্ত্রিক অবস্থান।” তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সাধারণ ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন—এই আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...